Tuesday, 3 September 2013

ভুটানের সাথে সুসম্পর্ক চিরস্থায়ী হোক, চায় দিল্লি

ভুটানের সাথে সুসম্পর্ক চিরস্থায়ী হোক, চায় সাউথ ব্লগকিছু দিন আগে ভুটানের আইনসভার দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচন হল। এবারের ভোটের মূল ইস্যু ছিল কেরোসিন ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধিকে নিয়ে। এমনিতে ভুটানের অর্থনীতি বেশ দুর্বল। ভুটানের অর্থনীতি সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই যেটা বলতে হবে সেটা হল, ভূটানের রাষ্ট্রীয় মুদ্রা গুলট্রাম এবং এর বিনিময় হার ভারতীয় রুপীর সাথে সম্পর্কিত। ভূটানের অর্থনীতি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র অর্থনীতি গুলির একটি। এটি মূলত কৃষি ও বনজ সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। ভুটানের জনসংখ্যার প্রায় ৬০% এই দুই ধরনের পেশায় জড়িত। [২০০৫ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভুটানে ৬,৭২,৪২৫ জনের বাস। প্রতি বছর জনসংখ্যা ২% হারে বাড়ছে। জনঘনত্ব প্রতিবর্গ কিলোমিটারে ৪৫ জন।] আর এই অর্থনৈতিক দুর্বলতা থেকে বাঁচার জন্য ভুটানকে ভারতের দেওয়া ভর্তুকি উপর নির্ভর করতে হয়। আর তাই প্রতিবেশী তথা আমাদের ছোট্ট পাহাড়ি মিত্র দেশ ভুটানের  মানুষকে একটু অর্থনৈতিক সাহায্যের জন্য দিল্লি বরাবর কেরোসিন ও প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর ভর্তুকি দিয়ে আসছে । 

Sunday, 1 September 2013

আমার চোখে বাংলাদেশ

   বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম সম্পর্কে আমার আগের পোস্টটাতে আলোচনা করেছিলাম। এবার আসি এখনকার স্বাধীন বাংলাদেশের কথায়।

     কলকাতা বন্দরকে পলি জমা থেকে রক্ষা করার জন্য ১৯৭৬ এ ফারক্কা বাঁধ তৈরি করে ভারত। অনেক তর্ক-বিতর্কের পরে ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বর মাসে দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেব গৌড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'গঙ্গার জল বন্টন চুক্তি' সই করেন। বিভিন্ন সময় দুই দেশের মধ্যে এই জল বণ্টন নিয়ে মতবিরোধও হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের সাথে ভারতের একটা চুক্তির কথা বললাম।

Saturday, 31 August 2013

বাংলাদেশ

  ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে গঠিত হল দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র , ভারত-পাকিস্তান।
বাংলাদেশ
'৪৭-এর দেশভাগের সময় ধর্ম গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলা প্রদেশটিকে ভাগ করা হলে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশভুক্ত হয়, আর অন্যদিকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশভুক্ত হয়। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে পূর্ববঙ্গের নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান করা হয়। 

Wednesday, 14 August 2013

আই এন এস ভিক্রান্ত

মহাসমুদ্রে রণতরী থেকেই লক্ষ্যে আঘাত হানতে উড়ে যাবে যুদ্ধ বিমান। এবার সেই রকমই রণতরী তৈরি করল ভারত সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে। ভারতীয় নৌবাহিনীর মুকুটে নতুন পালক 'আই এন এস বিক্রান্ত'।
 কোচি শিপ ইয়ার্ড থেকে ১২ অগাস্ট, সোমবার '২০১৩ -ই প্রথমবার জলে নামে এই বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ। 

INS Vikrant, আই এন এস ভিক্রান্ত, (ankurin.blogspot.in - অঙ্কুর পাণ্ডে)