Showing posts with label সামরিক শক্তি. Show all posts
Showing posts with label সামরিক শক্তি. Show all posts

Friday, 25 October 2013

মালদ্বীপ ও ভারত

    প্রায় তিরিশ বছর ধরে মালদ্বীপে একাধারে শাসন করেছেন এক ব্যক্তি, মাউমুন আবদুল গাইয়ুম, যিনি এক সময়ে নিজের শাসনকালে খুবই শক্তিশালী ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী তৈরী করেছিলেন নিজের পক্ষের লোকদের নিয়ে, যাদের স্থানীয় অনুপাতে শাসক ধনীগোষ্ঠী বলেই মনে করা যেতে পারে। বিদেশনীতিতে গাইয়ুম অনেকটাই চিন পন্থী ছিলেন  আর তাঁর শাসনের শেষের দিকে, ২০০০ সালের শুরুতে, সংবাদ মাধ্যমে খুবই সক্রিয়ভাবে শোনা যাচ্ছিল যে, আগামী একদশকের মধ্যেই এই দ্বীপপূঞ্জের একটিতে চিনের ডুবোজাহাজের জন্য বন্দর তৈরী করা হবে। 


মালদ্বীপ ও ভারত   ২০০৮ সালে মালদ্বীপের প্রথম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিতেছিলেন ভারতের পক্ষে মানসিকতা সম্পন্ন প্রার্থী মোহাম্মদ নাশিদ। ভারত মহাসাগরে ভারত থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরত্বের মালদ্বীপ পর্যটনের জন্য বিখ্যাত। ক্ষমতাই আসার ২ বছরের মধ্যেই মালদ্বীপের উন্নয়নের লক্ষে ২০১০ এ  মালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও ২৫ বছর ধরে পরিচালনার জন্য ভারতীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান GMR এবং মালয়েশিয়ার এয়ারপোর্ট হোল্ডিং বারহার্ডের যৌথ উদ্যোগে ৫১ কোটি ডলারের চুক্তি করে মালদ্বীপ।

Wednesday, 14 August 2013

আই এন এস ভিক্রান্ত

মহাসমুদ্রে রণতরী থেকেই লক্ষ্যে আঘাত হানতে উড়ে যাবে যুদ্ধ বিমান। এবার সেই রকমই রণতরী তৈরি করল ভারত সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে। ভারতীয় নৌবাহিনীর মুকুটে নতুন পালক 'আই এন এস বিক্রান্ত'।
 কোচি শিপ ইয়ার্ড থেকে ১২ অগাস্ট, সোমবার '২০১৩ -ই প্রথমবার জলে নামে এই বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ। 

INS Vikrant, আই এন এস ভিক্রান্ত, (ankurin.blogspot.in - অঙ্কুর পাণ্ডে)


Thursday, 18 July 2013

ভারত চীন সীমান্ত সমস্যা


ভারত বনাম চিন | ankurin.blogspot.in | অঙ্কুর পাণ্ডে (জ্যাক)   বন্ধুরা ভারত আর চিন দুই এশিয়োইঙ্গিনের লড়াই দীর্ঘদিনের। মানে ড্রগণ বনাম হাতির লড়াই। প্রথমে হিন্দি চিনি ভাই ভাই স্লোগান। তার পর '62_র যুদ্ধ। যুদ্ধে কয়েকটা ভুল সিধান্ত ভারত কে ডুবিয়েছিল। সেই 62_র কথা এখন থাক। 2013 এখন। এখনকার কথা ভাবা যাক।

  সম্প্রতি গত ১৫ এপ্রিল,২০১৩ রাতে আচমকাই চিনা সেনাবাহিনীর ৫০জন জওয়ান নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে লাদাখের দৌলত বেগ ওল্ডি সেক্টরে ভারতীয় ভূখণ্ডের ১৯ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়ে। পাঁচটি তাবু পেতে সেখানেই বসে পড়ে তারা। পরে জানা যায়, সেই রাতে সেনাদের সাহায্যের জন্য ২টি চিনা হেলিকপ্টারও ভারতের আকাশসীমায় ঢুকেছিল। ভারতের লাদাখের দৌলত বেগ সেক্টরে চিনা সামরিক ঘাঁটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে ছড়ায়।
ভারত বনাম চিন | ankurin.blogspot.in | অঙ্কুর পাণ্ডে (জ্যাক)
   তৎক্ষণাৎ ভারতীয় সেনাবাহিনী পিএলএ-এর তাঁবুর ঠিক উল্টো দিকে ৩০০ মিটারের মধ্যে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করে। চিনা সামরিক ঘাঁটির সামনে ঘাঁটি বানিয়ে পজিসেন নেয়। এরই পাশাপাশি, চিনা কর্তৃপক্ষকে 'শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান' বজায় রাখার অনুরোধ জানান ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সইদ আকবরুদ্দিন। তাঁর কথায়,'অনুপ্রবেশের আগের অবস্থানে ফিরে আসার জন্য আমরা চিনা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি।'

  ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে চিনা সেনা পূর্ব অবস্থানে না ফেরায় প্রথম ১০ দিনেই লাদাখের দৌলত বেগ সেক্টরে তিনটি ফ্ল্যাগ মিটিং হয়ে গিয়েছে। ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে বসেছিলেন ভারত ও চিনা সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার স্তরের কমান্ডাররা। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূতকে ডেকে আলোচনাও হয়। কিন্তু ততদিনেও ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে নড়ার নাম করেনি চিনা সেনা। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে একমত ছিল না ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেনার একটা বড় অংশ চেয়েছিল, চিনের এই কাণ্ডের ‘যোগ্য জবাব’ দেওয়া হোক।

Thursday, 20 June 2013

দেবভূমিতে ধ্বংসলীলা


 
  নির্ধারিত সময়ের বেশ কয়েক দিন আগেই ঢুকে পড়েছিল বর্ষা। আর সেই আগাম বর্ষাই বিপর্যয় ডেকে আনল উত্তরাখণ্ড-হিমাচলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। বৃষ্টি, হড়পা বান আর ধসের ধাক্কায় সেখানে আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার তীর্থযাত্রী। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে চার ধাম যাত্রা। আটকে পড়া তীর্থযাত্রীদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। বহু লোক নিখোঁজ। সরকারের তরফে প্রথমে ৫০ জন নিখোঁজ বলা হলেও উদ্ধারের কাজ যত এগোচ্ছে, সংখ্যাটা তত বাড়ছে। এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা প্রশাসনের।  বহু জায়গাতেই ধস নেমেছে।

Saturday, 18 May 2013

আফগানিস্তান পুনর্গঠনে ভারতের ভূমিকা

      আফগানিস্তান, যার সরকারী নাম আফগানিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র।  আফগানিস্তানের উত্তর সীমানায় তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তান; পূর্বে চীন এবং পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর; দক্ষিণে পাকিস্তান এবং পশ্চিমে ইরান।

আফগানিস্তান পুনর্গঠনে ভারতের ভূমিকা

রাজনীতির প্রাচীন প্রেক্ষাপট

            ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত আফগানিস্তানের রাজা ও তাঁর আত্মীয়েরা কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে রক্ষণশীল গোষ্ঠীগত ও ধর্মীয় নেতারাও শাসনব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার করতেন। ১৯৬৩ সালে প্রথমবারের মত রাজপরিবারের বাইরের একজনকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেয়া হয় যাতে রাজতন্ত্র আইন প্রণয়নের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পায়।

Wednesday, 1 May 2013

কাশ্মীর ভারতের ছিল, আছে, থাকবে

পৃথিবীর ভূস্বর্গ। জম্মু ও কাশ্মীর। 

কাশ্মীর আসলে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিমের একটি পাহাড়ী অঞ্চল। উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত, কাশ্মীর শব্দটি ভৌগোলিকভাবে শুধু বিশাল হিমালয় এবং পীর পঞ্জল পর্বতমালার উপত্যকাকে নির্দেশনা করতো।

Sunday, 17 March 2013

ঘাঁটির লড়াই ---(পার্ট--৩)



 ঘাঁটির লড়াই ---(পার্ট--১) -এ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। 

এবার বিভিন্ন দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে আলোচনা করব। কার কত শক্তি । এখন যুদ্ধ লাগলে কে হবে সব থেকে লাভমান ? কে কতটা এগিয়ে ? আর কার হবে জিত ?

Monday, 17 December 2012

প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংগঠন বা ডিআরডিও



      প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংগঠন (ইংরেজি:- Defence Research and Development Organisation , হিন্দি:- रक्षा अनुसंधान एवं विकास संघठन) বা ডিআরডিও এশিয়ার বৃহত্তম প্রতিরক্ষা কন্ট্র্যাক্টরগুলির অন্যতম এবং একটি অন্যতম প্রধান বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা। ভারতের নয়াদিল্লিতে এই সংস্থার সদর কার্যালয় অবস্থিত। ১৯৫৮ সালে প্রযুক্তি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান (টেকনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এস্ট্যাবলিশমেন্ট) ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন অধিকরণের (ডাইরেক্টরয়েট অফ টেকলিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রোডাকশন সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান সংগঠনের (ডিফেন্স সায়েন্স অর্গ্যানাইজেশন) সংযুক্তির মাধ্যমে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ৫১টি ল্যাবরেটরির মাধ্যমে ডিআরডিও-র নেটওয়ার্ক প্রসারিত। এই ল্যাবরেটরিগুলির দ্বারা সংস্থা বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন এয়ারোনটিক, অস্ত্রশস্ত্র, ইলেকট্রনিক ও কম্পিউটার সায়েন্স, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জীবন বিজ্ঞান, সামগ্রী, মিশাইল, যুদ্ধযান উন্নয়ন ও নৌগবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিকে উন্নততর করে তোলার কাজে রত। এর মূল দর্শন হচ্ছে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে স্বনির্ভর করে তোলা। এক কথাই ভারতের প্রযুক্তিবিদ্যা কে উন্নত থেকে উন্নততর করে সবার থেকে ভারতকে এক কদম এগিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করে এই সংস্থাটি। এই সংস্থায় ৭৪০০ জনেরও বেশি বৈজ্ঞানিক ও প্রায় ২৫,০০০ বিজ্ঞান, প্রযুক্তিগত ও সহায়তাকারী কর্মচারী নিযুক্ত। 


Monday, 26 November 2012

ঘাঁটির লড়াই ---(পার্ট--১)

     আজ 2012 এর শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে গোটা পৃথিবী; আসছে নতুন বছর 2013; অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি ভারত। এক অপার সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলা বিশ্বের সর্ববৃহৎ গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রটি আরো একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের তালিকায় নাম লেখাবে, এই কি আমাদের শেষ পরিনিতি...? 200 বছর সুলতানি, 300 বছর মুঘল, 200 বছর ইংরেজদের কাছে গোলামি থাকাকালীন অজস্র প্রাণের বিনিময়ে প্রাপ্ত স্বাধীনতা... সেটাও কি বিফলে যাবে? যেটা যেকোন ভারতীয়র কাছেই কঠিন চিন্তার বিষয়। আসলে আবেগ দিয়ে স্মৃতি চারণ করা যায়, কিন্তু স্মৃতিকে রক্ষা করা তো যায় না। কারণ ভারতীয়দের আবেগ বড্ড বেশি!

    আমাদের বিগত ২০১০ সাল থেকে একের পর এক সমস্যা, ঘাটতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অগণিত অনিয়ম; যার ফলে উন্নয়নের নিম্নমুখি ভারত। দেশের আনাচে কানাচে অনেক অনিয়ম-বিশৃঙ্খলা। এরকম অনেক ইস্যুতেই আজ আমাদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। ভারতের অর্থনীতি থেকে সামরিক কাঠামো সবই নিম্নমুখি, কিন্তু প্রতিবেশী রাষ্ট্র চিন, যে প্রতিনিয়ত ভারত তথা গোটা বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে। ফলে শুরু হয়েছে ঘাঁটির লড়াই। যাকে এশিয়ার ঠাণ্ডা লড়াই বলা যেতে পারে।

      রাষ্ট্র একটা বৃহৎ সংসারের মত। এখানে নিত্য দিনের চাহিদার পাশাপাশি আপনাকে আপনার ঘরও মজবুত করতে হবে। আর এই বিশ্বে তা করতে হলে এখন ট্যাঙ্ক, বারুদ, পারমাণবিক প্রযুক্তি, জাহাজ, বিমানের সাথে সাথে পজিশেনও ঠিক করতে হবে। আর এখানে বলা ভালো কিছু জিনিস, যেমন সামরিক বাহিনী, বিদেশনীতি, সামরিক বাহিনীর পরিক্ষাঠামো বা সরঞ্জাম, আমদানি, রপতানি  ইত্যাদি বিষয়ে  প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলোর নীতি ও সম্পর্ক এর উপর নির্ভরশীল।

    ইউরোপ-আমেরিকা-সাবেক সোভিয়েত থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে এশিয়া কিভাবে এই আন্তর্জাতিক ঘাঁটির লড়াই-এর ময়দান হয়ে উঠছে সে বিষয়ে কয়েকটি কথা তুলে ধরবো।